নতুন সম্ভাবনায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান শিশু হাসপাতাল: পরিচালনা কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত
বগুড়া প্রতিনিধি | ৩১ মে ২০২৬
দীর্ঘ প্রতিকূলতা কাটিয়ে আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ শিশু চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে নতুন পথচলা শুরু করেছে বগুড়ার ঐতিহাসিক ‘শহীদ জিয়াউর রহমান শিশু হাসপাতাল’। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে রোববার (৩১ মে) বগুড়া শহরের দত্তবাড়িতে অবস্থিত হাসপাতালের নিজস্ব হলরুমে নবগঠিত পরিচালনা কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২০০৫ সালে তৎকালীন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এই হাসপাতালটি উত্তরাঞ্চলের শিশুদের চিকিৎসাসেবায় একসময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক রোষানলে পড়ে দীর্ঘ সময় ধরে এর কার্যক্রম ব্যাহত হয়। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর হাসপাতালটিকে পুনরায় আধুনিক ও মানসম্মত সেবাকেন্দ্রে রূপান্তর করতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম (এমপি)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় হাসপাতালের সার্বিক উন্নয়ন ও সেবার মানোন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভার সঞ্চালনায় ছিলেন হাসপাতালের পরিচালক আমিনুল হক দেওয়ান সজল।
সভায় বক্তারা বলেন, তারেক রহমানের প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি পুনরায় আগের গৌরব ফিরে পাবে এবং খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে এটি উন্নত শিশু চিকিৎসায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। বিশেষ করে শিশুদের অ্যাজমা ও হৃদরোগের জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা চালুর ওপর সভায় বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টা রেজাউল করিম বাদশা ও অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল। এছাড়াও সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. মোশাররফ হোসেন (এমপি), বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন, মাফতুন আহমেদ খান রুবেলসহ পরিচালনা কমিটির অন্যান্য সম্মানিত সদস্যবৃন্দ।
উল্লেখ্য, গত ২১ মে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নতুন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়। নতুন এই কমিটির হাত ধরে বগুড়াবাসী এবং বৃহত্তর উত্তরাঞ্চলের সাধারণ মানুষ আবারও সুলভ মূল্যে উন্নত শিশু চিকিৎসাসেবা পাওয়ার বিষয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন।
আপনার জন্য একটি ছোট পরামর্শ:
আপনি চাইলে এই রিপোর্টের সাথে সভার কিছু ছবি এবং নতুন কমিটির সদস্যদের তালিকা যোগ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতে পারেন। এটি নিউজের বিশ্বাসযোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়িয়ে দেবে।