শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
খুব দ্রুতই বাজতে চলছে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ধামাঢোল আজ বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ, এর সাবেক অধ্যক্ষ সৈয়দ মুজতবা আলীর জন্মদিন রক্তের বন্ধনে মানবতার হাতছানি—গাবতলীতে ক্যান্সার রোগীর পাশে রিফাত মিয়া জুয়ার দেনা শোধে ‘মৃত’ বানাল জীবিত মাকে, বিক্রি করে দিল বসতভিটাসহ ২১ শতক জমি বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় নারী নিহত, খাদে গাড়ি; মন্ত্রী-স্ত্রী আহত মাইকে বিএনপির নাম বলায় বিএনপি নেতার উপর যুবলীগ নেতার হামলা শেখ হাসিনাকে নিয়ে রাজনৈতিক ভিডিও প্রচারের অভিযোগ, বগুড়ায় নারী গ্রেপ্তার ছয় মাসে মালয়েশিয়ায় যাচ্ছেন ২ লাখ বাংলাদেশি, ১০ হাজার কর্মীর যাত্রা হবে বিনা খরচে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম তৃণমূলের শক্তি বাড়াতে তারেক রহমানের সঙ্গে বগুড়া জেলা বিএনপির সাংগঠনিক বৈঠক মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে খেলাধুলার আন্দোলনে জনপ্রিয় তরুণ নেতা আতিকুল ইসলাম বিপ্লব

ছাত্রজীবন থেকে ৯ বছর প্রেমের পর বিয়ে, পরে বাবা-মা আর ভাইকে নিয়ে স্বামীকে খুন

বাবুল মিয়া
  • Update Time : সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২০৬ Time View

ছাত্রজীবন থেকে শুরু হয়ে ৯ বছর ধরে চলছিল জিতেন্দ্র কুমার যাদব ও জ্যোতির প্রেম। গত বছরের নভেম্বরে বিয়ে করেন তারা। অথচ, বিয়ের কিছুদিন পরই জিতেন্দ্রকে বাবা-মা আর ভাইয়ের সহায়তায় খুন করলেন জ্যোতি! এমন ঘটনাই ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের বারেলিতে। খবর এনডিটিভির। ৩৩ বছর বয়সী জিতেন্দ্রকে শহরের ইজ্জতনগর এলাকার এক ভাড়া বাড়ি থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে আশপাশের মানুষদের জানানো হয়েছিল, জিতেন্দ্র আত্মহত্যা করেছেন। কিন্তু পোস্টমর্টেম পরীক্ষায় প্রকাশ পায়, মৃত্যুর কারণ “গলা টিপে হত্যা”।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জিতেন্দ্রকে তার স্ত্রী জ্যোতি খুন করেন। আর এই সময় তার শ্বশুর-শাশুড়ি এবং শ্যালক তাকে ধরে রাখেন। পরে দেহটিকে একটি জানালার গ্রিল থেকে ঝুলিয়ে আত্মহত্যার ছদ্মবেশ দেয়া হয়। অভিযোগে নাম থাকা তিনজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে এবং জ্যোতির ভাইকে ধরার চেষ্টা চলছে। পুলিশ জানায়, বিয়ের কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই দম্পতির মধ্যে মনোমালিন্য শুরু হয়, প্রধানত আর্থিক কারণে। অভিযোগ, জিতেন্দ্র জ্যোতির ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে ২০ হাজার রুপি তুলে সেগুলো অনলাইন জুয়ায় হারান। অর্থের ক্ষতির কারণে তাদের মধ্যে ধারাবাহিক তর্ক-বিতর্ক চলছিল।

২৬ জানুয়ারি জ্যোতি হারানো টাকার বিষয়ে স্বামীকে মুখোমুখি করলে তর্ক তীব্র রূপ নেয় এবং শারীরিক সংঘাত পর্যন্ত পৌঁছে। পুলিশ জানায়, তখন জ্যোতি তার বাবা, মা ও ভাইকে বাড়িতে ডেকে আনে। পুলিশ জানায়, জ্যোতির বাবা কালিচরণ, মা চামেলি এবং ভাই দীপক ঘটনাস্থলে পৌঁছে। পরে স্বামী-স্ত্রীর কলহ চলাকালীন তারা জিতেন্দ্রকে ধরে রাখে, আর জ্যোতি তাকে গলা টিপে হত্যা করেন। জিতেন্দ্র নিঃশ্বাস ত্যাগ করার পর পরিবারের লোকেরা দেহটিকে ঝুলিয়ে আত্মহত্যার ছদ্মবেশ দেয়ার চেষ্টা করে। পরে প্রতিবেশীদের জানানো হয়, জিতেন্দ্র আত্মহত্যা করেছেন।

পুলিশ প্রাথমিকভাবে ঘটনাস্থলকে আত্মহত্যার হিসেবে বিবেচনা করলেও, জিতেন্দ্রের ভাই অজয় কুমারের অভিযোগের পর তদন্ত শুরু হয়। পোস্টমর্টেমে মৃত্যুর কারণ গলা টিপে হত্যা হিসেবে নিশ্চিত হওয়ায় মামলা আত্মহত্যা প্ররোচনার থেকে হত্যার মামলা হিসেবে পরিবর্তন করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের সময় পুলিশ জানিয়েছে যে জ্যোতী অপরাধ স্বীকার করেছেন এবং তার স্বামীর মৃত্যুর আগে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি তদন্তকারীদের বলেছেন, তিনি এবং জিতেন্দ্র শিক্ষাজীবনের দিন থেকেই একে অপরকে চেনতেন। বিবাহের কয়েক সপ্তাহ পর আর্থিক সমস্যা নিয়ে নিয়মিত দ্বন্দ্বের কারণে দম্পতির মধ্যে তিক্ততা বাড়ছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin