বগুড়ার গাবতলী উপজেলার ৩নং রামেশ্বরপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরগরম হয়ে উঠেছে স্থানীয় রাজনীতি। সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে সাধারণ মানুষের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ মোঃ সামছুজ্জোহা তালুকদার শামীম। তার রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও মানবিক কর্মকাণ্ডে মুগ্ধ হয়ে ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষ তাকে আসন্ন নির্বাচনে দেখতে চাইছেন।
সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি
দীর্ঘদিন ধরে সামছুজ্জোহা তালুকদার শামীম রামেশ্বরপুর ইউনিয়ন বিএনপির কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনীতির বাইরেও তিনি নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন জনকল্যাণমূলক কাজে। তিনি গাবতলীর ঐতিহ্যবাহী জাগুলী ঈদগাহ মাঠের সভাপতি এবং ইছামতি সামাজিক সেবা সংস্থার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে তিনি শিক্ষা সহায়তা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে স্থানীয়দের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন।
পারিবারিক ঐতিহ্য ও রাজনীতির হাতেখড়ি
তিনি গাবতলী থানা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সভাপতি মাস্টার আমিনুর রহমান তালুকদারের জ্যেষ্ঠ পুত্র। পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য ও জনসেবার আদর্শকে পুঁজি করেই তিনি মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন বলে স্থানীয়রা জানান।
নির্বাচনী ইশতেহার ও উন্নয়ন পরিকল্পনা
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সামছুজ্জোহা তালুকদার শামীম মনে করেন, রাজনীতি কোনো ব্যক্তিগত অর্জনের জায়গা নয়, বরং এটি একটি বড় দায়িত্ব। তিনি নির্বাচিত হলে রামেশ্বরপুর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও জনবান্ধব ইউনিয়নে রূপান্তরের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তার প্রধান লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে:
উন্নয়ন: প্রতিটি ওয়ার্ডে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা, রাস্তাঘাট সংস্কার ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন।
সামাজিক নিরাপত্তা: মাদক, সন্ত্রাস ও বাল্যবিবাহমুক্ত একটি সুন্দর সমাজ গড়ে তোলা।
স্বচ্ছতা: সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।
তরুণ ও কৃষক সমাজ: যুবসমাজকে খেলাধুলা ও কারিগরি শিক্ষায় সম্পৃক্ত করা এবং কৃষকদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা।
জনসেবা: স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপদ সুপেয় পানির প্রাপ্যতা সহজতর করা।
ভোটারদের ভাবনা
ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের ভাষ্যমতে, সামছুজ্জোহা তালুকদার শামীম বিনয়ী ও পরোপকারী একজন মানুষ। বিপদ-আপদে তাকে সব সময় কাছে পাওয়া যায়, যা একজন জনপ্রতিনিধির জন্য অপরিহার্য গুণ। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, তরুণ ভোটার থেকে শুরু করে প্রবীণ—সবার কাছেই তার গ্রহণযোগ্যতা থাকায় আসন্ন নির্বাচনে তিনি শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছেন।
জানতে চাইলে সামছুজ্জোহা তালুকদার শামীম বলেন, “রাজনীতি আমার কাছে মানুষের সেবা করার একটি মাধ্যম। আমি ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে চাই। জনগণ আমাকে সুযোগ দিলে তাদের আস্থার প্রতিদান দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”
নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে সামছুজ্জোহা তালুকদার শামীমের গ্রহণযোগ্যতা ততই বাড়ছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।