সবার মুখে হাসি ফোটাতে গিয়ে যে সন্তান নিজেই হারিয়ে যায়
লেখক: মো:আব্দুল মমিন একটা সন্তান তখন আর নিজেকে সামলাতে পারেনা যখন সবার মন যোগাতে গিয়ে নিজে হারিয়ে যায়। নিজের সব কিছু বিসর্জন দিয়ে হলেও সবার মুখে হাসি দেখতে চায়, হোক সেটা নিজের বাবা- মার, হোক ভাই – বোন এর বা হোক আত্নীয় স্বজনের। একটা সন্তান তখন সব থেকে বেশি অসহায় হয়ে পরে যখন সে তার কোনো কিছু কাউকে বুঝাতে পারেনা এমন কি নিজের মাকে ও না। যে সন্তান টা মানবিক সব সময় সবাইকে নিয়ে ভাবে দিন শেষে সেই সন্তান টা একা খুব একা। যে সন্তানটা হাসি মুখে প্রানবন্ত থাকতো সেই সন্তানটা রূপ নেয় এক গভীর অতলের যার কোনো তল নেই গম্ভীর হয়ে থাকে যেন সে গভীর কোনো চিন্তায় মত্ত। যে সন্তান সব সময় সব পরিস্থিতিতে কখনো ভেঙ্গে পড়ে না সেই সন্তান টা ভেঙ্গে পরলেও শান্তনা দেয়ার মতো কেউ পার্শ্বে থাকেনা। যেমন সন্তানের জন্য বাবা মা অনেক বড় নিয়ামত ঠিক সন্তান ও বাবা মার জন্য নিয়ামত। যখন বাবা মা সেই সন্তানকে সামাজিকতার অজুহাতে হারিয়ে ফেলে তখন বুঝতে পারে সন্তান থাকা সত্বেও তারা কতটা অসহায় ঠিক একই রকম ভাবে বাবা মা যখন চিরতরে হারিয়ে যায় সন্তান হয়ে আর কখনো সেই বাবা মা কে হাজার কান্নাকাটি করে হলেও ফিরে পাওয়া যায়না। সমাজিকতার অজুহাত থেকে বের হয়ে সন্তান হিসেবে নিজের দায়িত্বটুকু পালন করে দেখেন বাবা মা কে হারানোর পর কখনো তাদের সঠিক পাওনা দিতে পারেনি এমন ভেবে অফসোস হবেনা। ঠিক বাবা মা এর ও প্রতিটি সন্তানকে সমান ভাবে দেখে তাদের প্রতি ভালোবাসা দিয়ে আগলায়া রাখা উচিত তারাও তাদের দায়িত্ব গুলো পালন করতে করতে আপনাদের থেকে অনেক দুরে চলে যায় আপনাদের ভালোবাসা থেকে দূরে চলে যায়। আপনারা বেঁচে থাকতেই তারা অনাথ এর মতো একা হয়ে যায়।
পৃথিবীর প্রতেকটা বাবা – মা সুস্থ থাকুক। আমরা সন্তান হিসেবে তাদের দায়িত্ব পালন করবো।
ইন শাহ্ আল্লাহ।