বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মীর শাহে আলমের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুসারে, তিনি সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের লাভজনক পদে বহাল থাকা অবস্থায় তথ্য গোপন করে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, যা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর পরিপন্থী।
গত সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি), শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা আলমগীর হোসাইন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগের মূল দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
”মীর শাহে আলমের হলফনামায় লাভজনক পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কোনো দালিলিক প্রমাণ নেই। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করছি। আইন অনুযায়ী তথ্য গোপন প্রমাণিত হলে প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে।”
— মো. তৌফিকুর রহমান, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা, বগুড়া।
এই অভিযোগের বিষয়ে মীর শাহে আলমের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। শিল্প সচিবালয় বা বিসিকের পক্ষ থেকেও তার পদত্যাগের কোনো রেকর্ড পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগকারী দাবি করেছেন।