বগুড়ার নন্দীগ্রামে ১০ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে নতুন জামা ও মেহেদীর লোভ দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলার পলাতক আসামি মো. সাইফুল ইসলামকে (৪৬) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১২।
রবিবার (৭ জুন) সকালে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার শাকপালা সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার সাইফুল ইসলাম নন্দীগ্রাম উপজেলার গোছন গ্রামের মৃত আফসার ফকিরের ছেলে।
ঘটনার প্রেক্ষাপট:
ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় গোছন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। অভিযুক্ত সাইফুলের দোকান শিশুটির বাড়ির কাছে হওয়ায় সে বিভিন্ন সময় প্রলোভন দেখিয়ে আসছিল। অভিযোগ রয়েছে, গত ১৯ মার্চ দুপুরে নতুন জামা ও মেহেদী দেওয়ার কথা বলে শিশুটিকে কৌশলে একটি নির্মাণাধীন ঘরে নিয়ে যায় সাইফুল। সেখানে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করা হলে শিশুটির চিৎকারে সে পালিয়ে যায়।
আইনি পদক্ষেপ:
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার নন্দীগ্রাম থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করলে অভিযুক্ত সাইফুল আত্মগোপনে চলে যায়। ঘটনার প্রায় আড়াই মাস পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১২ এর একটি আভিযানিক দল তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
র্যাবের বক্তব্য:
র্যাব-১২ এর কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার ফিরোজ আহমেদ জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে নন্দীগ্রাম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো জঘন্য অপরাধের সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে র্যাবের এই কঠোর নজরদারি ও অভিযান চলমান থাকবে