নিজস্ব প্রতিবেদক, গাবতলী | ১৫ মে, ২০২৬
বগুড়ার গাবতলী উপজেলা পরিষদের আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে ভাইস চেয়ারম্যান পদে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন তৃণমূল থেকে উঠে আসা বলিষ্ঠ নেতৃত্ব মোঃ সামছুজ্জোহা তালুকদার শামীম। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সাবেক এই ছাত্রনেতা ও রাজপথের লড়াকু সৈনিককে ঘিরেই এখন স্বপ্ন দেখছেন গাবতলীর সাধারণ মানুষ ও তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।
পারিবারিক ঐতিহ্য ও রাজনৈতিক পরিচয়
সামছুজ্জোহা তালুকদার শামীম কেবল একজন ব্যক্তি নন, বরং একটি আদর্শবাদী রাজনৈতিক পরিবারের উত্তরসূরি। তিনি গাবতলী থানা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সভাপতি, মাস্টার আমিনুর রহমান তালুকদারের জ্যেষ্ঠ পুত্র। পারিবারিক সূত্রেই জাতীয়তাবাদী আদর্শকে বুকে ধারণ করে বেড়ে ওঠা শামীম বর্তমানে রামেশ্বরপুর ইউনিয়ন বিএনপির কোষাধ্যক্ষ হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।
তৃণমূলের আস্থার প্রতীক
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হওয়া এই নেতা সবসময় রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ পড়াশোনার সময় থেকেই তিনি ছাত্র রাজনীতিতে মেধা ও সাহসের স্বাক্ষর রেখেছেন। সুশিক্ষিত, নম্র ও ভদ্র সভাবের অধিকারী হওয়ায় উপজেলার সাধারণ মানুষের মাঝে তাঁর একটি বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে।
জনসাধারণের প্রত্যাশা
গাবতলীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, শিক্ষিত ও পরিচ্ছন্ন ইমেজের প্রার্থী হিসেবে শামীমকে নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ। স্থানীয়রা বলছেন, “আমরা এমন একজন প্রতিনিধি চাই যিনি শিক্ষিত হবেন এবং আমাদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকবেন। শামীম তালুকদার সেই যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে আসছেন।”
প্রার্থিতা নিয়ে সামছুজ্জোহা তালুকদার শামীম
নিজের প্রার্থিতা ও লক্ষ্য নিয়ে মোঃ সামছুজ্জোহা তালুকদার শামীম বলেন:
”আমার বাবা এই এলাকার মানুষের কল্যাণে এবং দলের জন্য কাজ করেছেন। আমি তাঁরই সুযোগ্য সন্তান হিসেবে গাবতলী উপজেলাবাসীর সেবা করতে চাই। শহীদ জিয়ার আদর্শ এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করাই আমার মূল লক্ষ্য। জনগণের ভালোবাসা ও দোয়া থাকলে আমি এই জনপদকে একটি আধুনিক ও বৈষম্যহীন উপজেলায় রূপান্তর করতে চাই।”
উপসংহার
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পারিবারিক ঐতিহ্য, উচ্চশিক্ষা এবং ক্লিন ইমেজের কারণে আসন্ন নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে সামছুজ্জোহা তালুকদার শামীম একজন শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তৃণমূলের নির্যাতিত ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের সমর্থন তাঁর বিজয়কে ত্বরান্বিত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।